আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu সম্প্রতি ইরানকে নিয়ে একটি কড়া মন্তব্য করেছেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেন, “ইরান ৫০টি উত্তর কোরিয়ার সমান”— এমন মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ইরানের সামরিক ও কৌশলগত প্রভাবের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা, গাজা পরিস্থিতি এবং ইসরায়েল–ইরান বিরোধের প্রেক্ষাপটে তিনি এ বক্তব্য দেন। তার দাবি, ইরান শুধু নিজ দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে বহুমুখী প্রভাব বিস্তার করছে।
ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, ইরান লেবাননের হিজবুল্লাহ ও গাজাভিত্তিক হামাসসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত। এছাড়া তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে তেল আবিব।
উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে।
সেই প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দেন, ইরানের প্রভাব ও সক্ষমতা কেবল একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, “৫০টি উত্তর কোরিয়ার সমান” মন্তব্যটি কোনো আনুষ্ঠানিক সামরিক পরিমাপ বা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নয়; এটি রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ হিসেবে একটি রূপক বা অতিরঞ্জিত তুলনা।
অন্যদিকে ইরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তেহরানের দাবি, তারা আত্মরক্ষার নীতির মধ্যেই তাদের সামরিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে, যদিও এটি মূলত রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
